<p>আট মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার জামিনের আবেদন নাকচ করে কারগারে প্রেরণে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তবে ৫ মামলায় জামিন দিয়েছেন আদালত। সোমবার ঢাকার সিএমএম আদালতে ব্যারিস্টার রফিকুল স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করে জামিন চেয়ে আবেদন করেন। ঢাকার মহানগর হাকিম মো. মারুফ হোসেন শুনানি শেষে ৫ মামলায় জামিন মঞ্জুর করেন এবং ৮ মামলায় জামিনের আবেদন নাকচ করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।</p>
<p>ভাঙচুর, পুলিশের কাজে বাধা, হত্যার উদ্দেশ্যে গাড়িতে আগুণ ও পোট্রোল বোমার নিক্ষেপের অভিযোগের মামলাগুলো দায়ের করা হয়েছে। পল্টন থানার ৩, মিরপুর থানার ১ ও পল্লবী থানার ১ মামলায় জামিন মঞ্জুর করেন। মতিঝিল, মিরপুর, যাত্রবাড়ি পল্লবী ও পল্টন থানাসহ ৮ মামলায় জামিন আবেদন নাকচ করা হয়। আসামি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন, সানাউল্লাহ মিয়া, মাসুদ আহমেদ তালুকদার, খোরশেদ আলম, মো. মহসিন মিয়া. ইকবাল হোসেন, তাহেরুল ইসলাম, আজিজুল ইসলাম খান বাচ্চু, হাফিজ, জিয়াউদ্দিন জিয়া, জয়নাল আবেদিন মেজবাহ, আব্দুল খালেক মিলন, নূরুজ্জমান তপনসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী।এদিন ঢাকা মহানগর হাকিম মো. মাজহারুল ইসলাম মিরপুর থানায় দায়ের করা ২ মামলায় রফিকুল ইসলাম মিয়ার জামিন নামঞ্জুর করেন।</p>
<p>ঢাকা মহানগর হাকিম খোরশেদ আলম যাত্রাবাড়ি থানায় দায়ের করা এক মামলায় রফিকুল ইসলাম মিয়াকে জামিন দেন। ঢাকা মহানগর হাকিম মো. গোলাম নবী পল্লবী থানায় দায়ের করা এক মামলায় রফিকুলকে জামিন ও অন্য এক মামলায় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বিকাল সোয়া তিনটায় জামিন আবেদনের ওপর শুনানি শুরু হয়ে শেষ হয় চারটার দিকে।</p>
<p>জানা গেছে, রফিকুল ইসলাম মিয়া গেল দু&rsquo;বছর আত্মগোপনে ছিলেন। ৭২টি মামলা মাথায় নিয়ে ফেরারি থাকা রফিকুল ইসলাম মিয়া সর্বশেষ প্রকাশ্যে এসেছিলেন ২০১৪ সালে। সে বছরের ৫ জানুয়ারি থেকে লাগাতার কর্মসূচির পর আর তাকে দেখা যায়নি। সূত্রগুলো বলছে, রফিকুল ইসলাম মিয়া গ্রেফতারের ভয়েই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিচ্ছেন না। তার বিরুদ্ধে যত মামলা রয়েছে, তা বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্য কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে নেই। আর তাই রাজনৈতিক কৌশল অবলম্বন করেই তিনি গা ঢাকা দিয়ে আছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।</p>